নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আরাফ দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশ ছাড়ার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর তৎপরতা থামেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে কর্মসূচির আহ্বান, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আরাফের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিভিন্ন পোস্টে আরাফ ককটেল বিস্ফোরণসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন ও উসকানি দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্যের পাশাপাশি দেশে অচলাবস্থা তৈরির আহ্বানও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকায় রয়েছে। আগামী ডিসেম্বর ঘিরে তাঁর দেওয়া কিছু পোস্ট নিয়েও স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে আরাফের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি শুধু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ আমলে তিনি এলাকায় প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কারবার ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা আদালতের নথি এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
এদিকে ছেলের রাজনৈতিক পরিচয় ও কর্মকাণ্ডের কারণে পরিবারকে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আরাফের বাবা কাজী হুমায়ূন কবির। তাঁর দাবি, গত আগস্টের পর স্থানীয় রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী কয়েকজন তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িতে ভাঙচুর এবং তাঁকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে।
হুমায়ূন কবির বলেন, ছেলের অতীত কর্মকাণ্ডে তিনিও একসময় ক্ষুব্ধ ছিলেন। কিন্তু ছেলের কর্মকাণ্ডের দায় পরিবারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায়। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক চাপের মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, আরাফ দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পুরোনো অভিযোগের পাশাপাশি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড নিয়েও নতুন করে বিরোধ তৈরি হতে পারে। এতে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তবে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা বা অভিযোগ থাকলে তা আইনগত প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হওয়াই প্রত্যাশিত।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিভিন্ন পোস্টে আরাফ ককটেল বিস্ফোরণসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন ও উসকানি দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্যের পাশাপাশি দেশে অচলাবস্থা তৈরির আহ্বানও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকায় রয়েছে। আগামী ডিসেম্বর ঘিরে তাঁর দেওয়া কিছু পোস্ট নিয়েও স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে আরাফের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি শুধু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ আমলে তিনি এলাকায় প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কারবার ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা আদালতের নথি এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
এদিকে ছেলের রাজনৈতিক পরিচয় ও কর্মকাণ্ডের কারণে পরিবারকে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আরাফের বাবা কাজী হুমায়ূন কবির। তাঁর দাবি, গত আগস্টের পর স্থানীয় রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী কয়েকজন তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িতে ভাঙচুর এবং তাঁকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে।
হুমায়ূন কবির বলেন, ছেলের অতীত কর্মকাণ্ডে তিনিও একসময় ক্ষুব্ধ ছিলেন। কিন্তু ছেলের কর্মকাণ্ডের দায় পরিবারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায়। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক চাপের মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, আরাফ দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পুরোনো অভিযোগের পাশাপাশি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড নিয়েও নতুন করে বিরোধ তৈরি হতে পারে। এতে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তবে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা বা অভিযোগ থাকলে তা আইনগত প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হওয়াই প্রত্যাশিত।
অনলাইন ডেস্ক